রাকিব হোসেন সোহেল
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরে ওপেন দালাল দিয়ে চলছে গাড়ির লাইসেন্স এর আবেদন বিআরটিএ অফিসের মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবন চাকমা যোগসাজঅশে টাকার বিনিময়ে এক জনের নামের কাগজ পত্র নিয়ে অন্য দালালের মাধ্যমে যাবতীয় কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করেন প্রথমে দালাল পরে অফিসিয়াল মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবন চাকমা। এর পরে শুরু হয় আরো অন্যান্য কর্মকর্তা গণদের স্বাক্ষর। দেখা যাচ্ছে প্রবন চাকমা আবেদন ফাইলটি কার নামের কে বা- কা হা রা জমা দিচ্ছেন সেই দিকে কোনো খেয়াল না রেখে সঠিক তদন্ত না করে সৈ স্বাক্ষর করেন প্রবন চাকমা। আবার দেখা যায় দালাল নিজ হাতে তাদের অফিসিয়াল সীল দালালরা দলবদ্ধ হয়ে এসে নিজ হাতে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ও তারিখ গাড়ির নম্বর সীল পর্যন্ত মারতে থাকে। এবং পরবর্তী ঐ আবেদনের ফাইলটি মেকানিক্যাল চাকমা নিকট জমা দেওয়া হয় দালালদের মাধ্যমে। হঠাৎ দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার প্রতিনিধি এক নজরে তাকাতেই চোখে নজরে পড়ে দালালদের অনিয়ম দুর্নীতি সীল মারার কারখানা।এসময় অফিস কক্ষে প্রবন চাকমা কে জিজ্ঞেস করা হয় আপনার অনউস্থিতিতে অফিসিয়াল সীল দালাল অথবা আবেদন কারীরা ব্যবহার করার অনুমতি আছে কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের লোক জনবল সংকটের কারণে কিছু আবেদন কারী এসে আমাদের সীল গুলো ব্যবহার করেছেন। এতে দোষের কিছু দেখিনা বলে জানান প্রবন চাকমা।আপনার অনউপস্থিতিতে অফিসিয়াল সীল দালাল অথবা কোনো আবেদন কারী সীল মারার নিয়ম আছে কি না জানতে চাইলে প্রবন অনিহা প্রকাশ করেন। এবং পরবর্তী দালালদের নাম জানতে চাইলে প্রবন চাকমা প্রশ্নের জবাবে দালালদের নাম জানেন না বলে সাংবাদিকদের জানায়।তিনি আরও বলেন আসলে আমার অনউপস্থিতিতে কেউ অফিস কর্মকর্তা ও আমাদের নাম বা নাম্বারের কোনো সীল মারা হয়নি।তখন এক অপরিচিত আবেদন কারী উপস্থিত থাকা কালীন সময়ে তার কথা বলা হলে প্রবন চাকমা সাংবাদিক মিডিয়াদের বলেন এনি একজন রায়পুর ওয়াল্টন শো-রুমে স্টাফ এ কথা বলতে না বলতে তড়িঘড়ি করে কর্মকর্তাদের নামের সীলের ডালাটি টেবিল থেকে সরিয়ে পিছনে রাখা হয়।একই রকম ঘটনা তার দুই দিন পরে আবারও ঘটে সরাসরি দৈনিক গণজাগরণের সামনে প্রবন চাকমা ও দালাল একজন আরেক জনকে আবেদন কারীর ফাইলে সরকারি বিআরটিএ এর অফিসিয়াল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সীল মারা ও সই স্বাক্ষর দিয়ে সম্পূর্ণ করা ফাইল এমন ভাবে বুঝায়, মনে হয় দালাল একজন অফিস কর্মকর্তা।আর এদিকে মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবন চাকমা মনে হচ্ছে দালালের স্টাফ। বাহিরে তাকাতেই দেখা যাচ্ছে শত শত আবেদন কারী কেউ আছে ফাইল জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছেন। আবার কেউ দাড়িয়ে আছে পিংঙ্গার দেওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু কোনো কিছুইতে দালালদের কারণে সুযোগ পাচ্ছেন না মটরবাইক গাড়ির আবেদন কারীরা।টাকা আর দালাল হলে সবার আগে বিআরটিএ এর কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের টেবিলে চলে যায় আবেদন কারীর লাইসেন্স এর নতুন পুরাতন ফাইল। এই যেনো মনে হচ্ছে দালালদের বিআরটিএ এর অফিস।আরো মনে হয় তারাই হলেন অফিস কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্ট্রাফ গণ। এদিকে প্রবন চাকমা নিকট হইতে জানতে পারি তিনি সহ বিআরটিএ অফিসিয়াল স্টাফ কর্মচারী ও কর্মকর্তা মোট মিলে সাত জন।একপর্যায়ে সাংবাদিক মিডিয়াদের উপস্থিত থাকা কালীন সময়ে সকল দালালদের বাহিরে অপেক্ষা করতে বললেন প্রবন চাকমা। তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনের দরজা খোলা থাকার কারণে সবাই ডুকে পড়ে তখন আর আমাদের কিছু করার থাকেনা।আশা করি দরজাটা লাগানো হয়ে গেলে সমস্যা সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রবন চাকমা।এদিকে আবেদন কারী গণদের অভিযোগ দালাল দিয়ে কেনো আমাদের হয়রানি শিকার হইতে হচ্ছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী বিআরটিএ এর কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ।লাইসেন্স আবেদন কারীরা আরও বলেন,কতৃপক্ষের সু- দৃষ্টি কামনা করছি।অতিদ্রুত দালাল বন্ধ করা একান্ত আবশ্যক।জেলা প্রশাসকের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভূক্তিভোগী পরিবারের স্বজনরা।