Sunday, February 25, 2024
No menu items!
Google search engine
HomeUncategorizedউন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হলে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হলে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই। কৃষিপ্রধান দেশ হলেও পাকিস্তানি শাসকদের ভ্রান্ত নীতি ও অবহেলার কারণে এদেশের সিংহভাগ মানুষের দুবেলা ভাত জুটতো না।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া ২-৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা আয়োজন করছে জেনে তিনি আনন্দিত।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ২০০৯ সাল থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ ও সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আমরা আধুনিক কৃষি শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করেছি। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। কৃষি বাতায়ন, কৃষক-বন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, এতে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভাসমান চাষ, বৈচিত্র্যময় ফসল উৎপাদন, ট্রান্সজেনিক জাত উদ্ভাবন, পাটের জেনোম সিকুয়েন্স উন্মোচন ও মেধাস্বত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সার, বীজসহ সব কৃষি উপকরণের মূল্য হ্রাস, কৃষকদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা, ১০ টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। পাওয়ার টিলার, হারভেস্টরসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দামে কৃষকের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।
মেলায় প্রদর্শিত কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি দেশের কৃষক সমাজকে কৃষি আধুনিকীকরণ এবং যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহিত করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেলার মাধ্যমে কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট গবেষক, প্রস্তুতকারক, আমাদানিকারক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ও দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক তথ্য এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ ঘটবে।
এ মেলা দেশের কৃষিখাতে টেকসই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ১১তম এগ্রো টেক বাংলাদেশ ২০২৩ প্রদর্শনীর সফলতা কামনা করেন।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments