Sunday, February 25, 2024
No menu items!
Google search engine
Homeদেশইটভাটার স্বার্থে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে সুড়ঙ্গ,

ইটভাটার স্বার্থে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে সুড়ঙ্গ,

এইচ. এম. রাসেল, আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা:

বরগুনার আমতলী  উপজেলায় পায়রা নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে সুড়ঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে এক ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে। সেই সুড়ঙ্গপথে চলছে ইটসহ ভাটার মালামাল পরিবহন। এতে বাঁধসহ এলাকা জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করে ইটভাটার মালিকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, ২০১০ সালে আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের আঙ্গুলকাটা গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাছে মুন্সি ব্রিকস নামের একটি ইটভাটা স্থাপন করেন মো. বদিউল আলম বাদল মুন্সি। ওই ইটভাটা তিনি কুকুয়া ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের আবুল হোসেন মৃধার কাছে ভাড়া দেন। আবুল হোসেন ওই ইটভাটায় ইট পোড়াচ্ছেন। কাজের সুবিধার্থে তিনি ইটভাটার মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে সুড়ঙ্গ তৈরি করেছেন। স্থানীয় লোকজন নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি বাঁধ কাটা থেকে বিরত হননি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে ফেলায় হুমকিতে পড়েছে গুলিশাখালী ইউনিয়নের আঙ্গুলকাটা, খেকুয়ানী, ডালাচারা, বাজারখালী ও গুলিশাখালী গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মানুষ। প্রাকৃতিক জলোচ্ছ্বাস হলে ওই বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে জানমাল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করেছেন এলাকাবাসী। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে সুড়ঙ্গ করা হয়েছে। ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে ইটসহ ভাটার মালামাল আনা-নেওয়া করছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর কাঠের গুঁড়ো ফেলে রেখেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। গুলিশাখালী ইউনিয়নের আঙ্গুলকাটা গ্রামের মো. খোকন মানিক ভোরের ডাককে বলেন, বাঁধে সুড়ঙ্গ করায় বন্যা এলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই। ইটভাটার ভাড়াটিয়া মালিক মো. আবুল হোসেন মৃধা বলেন, এ বাঁধ আমি কাটিনি। মুন্সি ব্রিকসের মালিক বাদল মুন্সি নিজেই কেটে দিয়েছেন। আমি ভাড়া নিয়ে ইটভাটা চালাই। বাদল মুন্সির সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন তুলেনি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান সুজন বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশরাফুল আলম বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকেহ কাটতে পারবেনা।সরেজমিন পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments