Sunday, February 25, 2024
No menu items!
Google search engine
Homeদেশপটুয়াখালীতে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ করার অভিযোগ

পটুয়াখালীতে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ করার অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলা শহরের মহিলা কলেজের উল্টো দিকে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে চলছে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ। স্থানীয় পুলিশকে অবহিত করলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা এস.এম রেজাউল তারেক। আজ ১৫ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা এস.এম রেজাউল তারেক।
তিনি বক্তব্যে (তারেক) জানান, তার বাবা মৃত আবদুল মজিদ সিকদার তাদের ৪ ভাইয়ের নামে দলিল করে দেন। যা একই পস্নটে। তাদের চার ভাইয়ের মধ্যে এখনও বন্টনই হয় নাই। এর মধ্যে তাদের সেজ ভাই মো: মিজানুর রহমান তার অংশের ১ কাঠা জমি বিক্রি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ সময় ছোট ভাই তারেক জমি বাবদ তাকে ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা দেয় রেজিষ্ট্রি বায়নার মাধ্যমে। তারেক দেশে আসার পরে দলিল হবে মর্মে তাদের মধ্যে কথা হয়। কিন্তু তারেক প্রবাসে থাকার সুযোগে কোন ধরনের আপোষ-বন্টন ছাড়াই সেজ ভাই মো: মিজানুর রহমান গোপনে জনৈক মো: কাওসার মৃধার কাছে তার ভাগের ৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ক্রেতা কাওসার মৃধা সম্প্রতি আদালত বন্ধের সুযোগে উক্ত জমিতে আপোষ বন্টন না করে তার ইচ্ছেমত এমন ভাবে বাড়ি করা শুরম্ন করেছে, যাতে অপর তিন ভাই যাতে ভবিষ্যতে তার কাছেই জমি বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া ক্রেতা মো: কাওসার মৃধা ৩ শতাংশ জমি কিনলে বাড়ি করছেন তার চেয়ে বেশি জমি নিয়ে। খবর পেয়ে তারেক দেশে এসে কাওসার মৃধার কাছে কারন জানতে চাইলে, সে তারেককে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি সদর থানা পুলিশে সাধারণ ডায়েরি করেন। এ ডায়েরী করায় কাওসার মৃধা তার নামে আদালতে চাঁদাবাজী মামলা করেন বলে লিখিত অভিযোগে উলেস্নখ করেন এসএম রেজাউল তারেক।
এ অবস্থায় তারেক বাধ্য হয়ে আদলতে বন্টনের মামলা করেন। যার নং-৭৭৬/২০২২। আদালত মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত্ম বিরোধী সম্পত্তিতে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু কাওসার মৃধা আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিরোধী সম্পত্তিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে থানা পুলিশকে অবহিত করলেও তারা অজ্ঞাত কারনে কোন পদক্ষাপ নিচ্ছেন না।
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো : মনিরম্নল ইসলাম জানান, স্থিতিতাবস্থাকৃত জমিতে কাজ চলে এমন কোন খবর তার জানা নেই।
এ সময় তারেক এর সাথে ছিলেন নিকট বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান মামুন, মোঃ নাজমুল আহসান ফারম্নক ও পরিচিত মোঃ মোজাম্মেল হক।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments